ডেঙ্গু জ্বর | ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা

ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত রোগ। যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে মহামারী রোগের একটি। সাধারণত এই জ্বরের উপদ্রুব বেশিরভাগই বর্ষা মৌসুমে দেখা যায়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ব্যাক্তি খুব কম সময়ের মধ্যে দুর্বল হয়ে পরে এবং শরীরে এর রেশ দীর্ঘদিন থেকে যায়।

তবে ডেঙ্গু কোন প্রাণঘাতি রোগ নয়, নিয়মমাফিক বিশ্রাম ও ওষুধ সেবনে এর থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব। গবেষকরা ইতিমধ্যে ডেঙ্গু জ্বরের টিকা নিয়ে কাজ করছেন। কিন্তু সাধারণত আমাদের সাবার উচিত এই মুহ্রতে নিজ এলাকায় মশার আবাসস্থল হ্রাস করা এবং সচেতন হওয়া। যা আমাদের জন্য ডেঙ্গু জ্বর থেকে রক্ষা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল প্রতিরোধক।

ডেঙ্গু জ্বর কি এবং কিভাবে ছড়ায় ?

ডেঙ্গু ভাইরাস  (DENG-gey) বাহিত এডিস ইজিপ্টাই নামক মশার কামড়ে ৪ থেকে ৬ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোন জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে, সেই মশাটিও ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবহন করা আরাম্ভ করে। এভাবে ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত মশার কামড়ে একজন থেকে অন্যজন খুব সহজেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে থাকে। তবে ডেঙ্গু প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে, ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার এবং ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার

ডেঙ্গু জ্বর কখন এবং কাদের বেশি হয় !

ডেঙ্গু-জ্বর-কখন-কাদের-বেশি-হয়

ডেঙ্গু ভাইরাস (DENG-gey) বাহিত এডিস ইজিপ্টাই মশার কামড়ে ৪ থেকে ৬ দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়।

সাধারণত আমাদের দেশে মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে।তবে শীতকালে এই রোগের প্রকোপ নেই বললেই চলে কিন্তু শীতকালে এই ডেঙ্গু মশা বেঁচে থাকতে পারে। যা বর্ষার শুরুতেই নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত মশা হিসেবে বিস্তার লাভ শুরু করে ।

ডেঙ্গু রোগ প্রবলতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ২০১৮ সালের প্রথম আলোর রিপোর্ট অনুযায়ী “২০০০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে ২৮১ জন মারা যায়। আর এই বছরের ২০১৯ সালে ইতিমধ্যে সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে ১১ জন মারা যাওয়ার খবর নিশ্চিত করে। তাই সবার উচিত আতঙ্কিত না হইয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া এবং নিয়মমাফিক বিশ্রাম ও ওষুধ সেবনে করা।

বিশেষ করে শহর অঞ্চলে এই মশার প্রভাব বেশী। কারণ ময়লা আবর্জনা স্তূপ বাসার ছাদে কিংবা ফুলের টবে জমে থাকা পানিতে খুব সহজে এই ডেঙ্গু মশা বংশবিস্তার করতে পারে। বর্তমানে শহরের অপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং অভিজাত এলাকায় অপরিকল্পিত বড় বড় দালান কোঠার উৎকৃষ্ট আবর্জনায় ডেঙ্গু ভাইরাস বাহিত এডিস মশার উপদ্রব বেশী থাকে।

তবে ডেঙ্গু ভাইরাস ৪ ধরনের হয়ে থাকে এবং এই জ্বর হওয়ার ঝুঁকিও থাকে ৪ বার। তাই যারা ইতিমধ্যে এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের এটা ভাবার অবকাশ নেই যে পুনরায় আক্রান্ত হবে না এবং পুনরায় এই জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে ডেঙ্গু মারাত্মক হওয়ার ঝুঁকি বেশী থাকে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ সমূহ কি কি ?

ডেঙ্গু-জ্বরের-লক্ষণ

পচণ্ড জ্বর, শরীরে ব্যথা, বমি হওয়া, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি ডেঙ্গু জ্বরের পাথমিক লক্ষণ।

ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর যা ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। বিগত বছরগুলোর মতো এবারও গলাব্যথা বা ডায়রিয়ার মতো কিছু ভিন্নধর্মী লক্ষণ নিয়ে ডেঙ্গু জ্বর দেখা দিচ্ছে।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ বলেতে সাধারণত প্রথম দিন থেকে প্রচণ্ড জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরে ব্যথা, গ্রন্থি পুলে যাওয়া, বমি হওয়া, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, চোখের পেছনে ব্যথা এবং ত্বকে র‍্যাশ বা লাল বর্ণের দানা দেখা দেওয়া। যা হাত দিয়ে চাপদিলে সাদা হয়ে যায় এবং কিচ্ছুক্ষণ পর পুনরায় লাল বর্ণে রূপ নেয়। নিচের উল্লেখিত লক্ষণ সমূহ দেখে নিন।

  • শরীরের যে কোন অংশ থেকে রক্তপাত হলে।
  • রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা ১ লক্ষের নিচে নেমে গেলে গেলে।
  • রক্তবমি বা কফের সঙ্গে রক্ত গেলে।
  • শ্বাসকষ্ট হলে বা পেট ফুলে পানি আসলে।
  • কালো পায়খানা অথবা প্রস্রাব বা পায়খানার সাথে তাজা রক্ত গেলে।
  • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে।
  • জন্ডিস দেখা দিলে।
  • শরীরের হাত পা ও অন্যান্য অংশ ঠাণ্ডা হয়ে আসলে।
  • অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা দেখা দিলে।
  • প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বা বমি হলে।

এছাড়াও শরীরের ব্যথার তীব্রতা এত বেশী থাকে যে, মনেহয় বুঝি হাড় ভেঙ্গে যাচ্ছে। তাই অনেকে এই জ্বরকে “ব্রেক বোন ফিভার” নামেও ডাকেন।

ডেঙ্গু জ্বর ৪ থেকে ৫ দিন থাকলে রোগীর অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ সৃষ্টি হয় এবং শরীরজুড়ে স্কিন র‌্যাশ, অনেকটা এলার্জি বা ঘামাচির মতো দেখা দেয়। যদি কোন রোগীর ক্ষেত্রে ২ থেকে ৩ দিন পর আবার জ্বর আসে তাহলে একে “বাই ফেজিক ফিভার”বলে।

অধিকাংশ মানুষ যদিও এক সপ্তাহের মাঝে ভাল হয়ে যান কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে, লক্ষণগুলি আরও খারাপ হয়ে এবং বিপজ্জনক অবস্থায় রূপ নেয়। মনে রাখবেন ডেঙ্গু জ্বর ভাইরাস শরীরের রক্তচাপের ক্লট-ফর্মিং কোষ (প্লেটলেট) সংখ্যা কমিয়ে দেয় এবং যা ডেঙ্গু হেমোরেজিক এবং ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে গুরুতর রূপ নিতে পারে।

ডেঙ্গু হেমোরেজিক সিনড্রোম কি ?

ডেঙ্গু হেমোরেজিক সিনড্রোম অবস্থাটা সবচেয়ে জটিল। এটি ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণের পাশাপাশি আরো অনেক উপসর্গ দেখা দেয় যেমন-

  • নাক ও মুখ বা দাঁতের মাড়ি হতে রক্ত পড়া।
  • রক্তবমি বা কফের সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
  • কালো পায়খানা অথবা প্রস্রাব বা পায়খানার সাথে তাজা রক্ত যাওয়া।
  • চোখের মধ্যে রক্ত জমে থাকা।
  • মহিলাদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব অথবা রক্তক্ষরণ হওয়া।

এই রোগের বেলায় অনেক সময় শরীরে পানি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় লিভার আক্রান্ত হয়ে রোগীর জন্ডিস, কিডনীতে আক্রান্ত হয়ে রেনাল ফেইলিউর ইত্যাদি জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

ডেঙ্গু শক সিনড্রোম ?

ডেঙ্গু জ্বরের সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ হল ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের সাথে সার্কুলেটরী ফেইলিউর হয়ে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়। এর লক্ষণ সমূহ-

  • রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া।
  • নাড়ীর স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।
  • শরীরের হাত পা ও অন্যান্য অংশ ঠাণ্ডা হয়ে যায়।
  • প্রস্রাব কমে যায় বা না হওয়া।
  • হঠাৎ করে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে। এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা কি ?

এটা সত্য যে ডেঙ্গু জ্বরের কোন নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। এই জ্বর সাধারণত নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। তাই উপসর্গ অনুযায়ী আপনাকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। নিজের প্রতি খেয়াল রাখুন কোন উপসর্গ কি আপনার সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা এবং যদি আপনি সম্প্রতি ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত কোন অঞ্চলে যান তাহলে নিজের প্রতি বিশেষ নজর রাখুন।

ডেঙ্গু জ্বরের সনাক্ত করতে কি কি টেস্ট করাতে হবে ?

অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বরে বেশী পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। সুধু মাত্র ৪ থেকে ৫ দিন পর সিবিসি টেস্ট করে রক্তের প্লাটিলেট কাউন্ট করাই যথেষ্ট। সাধারণত একজন স্বাভাবিক মানুষের রক্তে প্লাটিলেটের পরিমাণ ১,৫০,০০০ থেকে ৪,৫০,০০০ পর্যন্ত থেকে থাকে। তবে যদি রক্তে প্লাটিলেট কাউন্ট ১ লক্ষের কম থাকে তাহলে আবশ্যই ডাক্টারের পরামর্শ নেয়া উচিত।

তবে ডেঙ্গু এন্টিবডির পরীক্ষা ৫ থেকে ৬ দিন পর করতে পারেন। এই পরীক্ষা ডেঙ্গু সনাক্তকরণে বিশেষ সাহায্য করবে। তবে পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্লাড সুগার, লিভারের পরীক্ষাসমূহ, যেমন-এসজিপিটি, এসজিওটি, এলকালাইন ফসফাটেজ ইত্যাদি পরিক্ষা করতে পারেন। এছাড়াও প্রয়োজনে অনুযায়ী পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম, বুকের এক্সরে ইত্যাদি করা যাবে। যদি চিকিৎসক মনে করেন, রোগী ডিআইসি জাতীয় জটিলতায় আক্রান্ত, সেক্ষেত্রে প্রোথ্রোম্বিন টাইম, ডি-ডাইমার, এপিটিটি ইত্যাদি পরীক্ষা-নিরিক্ষা করতে পারেন।

কখন ডাক্তারের পরামর্শনেয়া উচিত ?

সাধারণত জ্বরে আক্রান্তদের বেশীর ভাগ ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সম্পুন্য ভাল হয়ে যায়। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত যেন ডেঙ্গু জনিত কোনো মারাত্মক জটিলতায় না পড়তে হয়। পাশাপাশি রোগিকে নিচের নির্দেশনা গুলো মেনা প্রয়োজন।

  • সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে।
  • জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মোছাতে হবে।
  • যথেষ্ট পরিমাণে পানি, ডাবের পানি, শরবত ও অন্যান্য তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
  • মুখে খেতে না পারলে শিরাপথে স্যালাইনে দেওয়া যেতে পারে।
  • জ্বর কমানোর জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষধই যথেষ্ট।
  • কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা এসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক জাতীয় ব্যথার ঔষধ খাওয়া যাবে না।
  • প্রথম দিন থেকেই যদি জ্বর জটিল আকার মনেহয় তাহলে অতিদূরত্ব চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের উপায় কি ?

ডেঙ্গু-জ্বর-প্রতিরোধের-উপায়

এডিস মশা জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে বংশবিস্তার করে, তাই পরিত্যক্ত উপাদান সরিয়ে ফেলুন।

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূল মন্ত্রই হল এডিস মশার বিস্তার রোধ করা। আপনি হইয়তো জানেন না এডিস মশা অভিজাত এলাকায় বড় বড় সুন্দর দালান কোঠায় এদের বসবাস। তাই আপনাকে যেন এই মশা কামড়াতে না পারে তার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মনে রাখবেন এডিস মশা বংশবিস্তারের জন্য স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখুন। একই সাথে মশা নিধনের জন্য প্রযোজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এছাড়াও বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন আছে তা নিশ্চিত করুণ।

যেহেতু এডিস মশা মূলত স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে, তাই যে সকল যায়গায় পানি জমে থাকে যেমন- ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি জাতীয় উপাদান সরিয়ে ফেলুন। ব্যবহৃত জিনিস যেমন মুখ খোলা পানির বতল, ফুলের টব ইত্যাদিতে যেন পানি জমে না থাকে, সে দিগে খেয়াল রাখুন।

ঘরের বাথরুমে কোথাও জমানো পানি ৫ দিনের বেশি যেন না থাকে তা নিশ্চিত হন। একুরিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ার কন্ডিশনারের নিচেও যেন পানি জমে না থাকে তা খেয়াল রাখুন। এডিস মশা সাধারণত সকাল ও সন্ধ্যায় কামড়ানর উপদ্রব বেশী থাকে। তাই এই সময় পর্যাপ্ত সতর্কতা গ্রহণ করুন এবং প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

দিনে ঘুমালে মশারি টাঙিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হবে। বাচ্চাদের যারা স্কুলে যায়, তাদের হাফপ্যান্ট না পরিয়ে ফুল প্যান্ট বা পায়জামা পরিয়ে স্কুলে পাঠাতে পারেন।

মনে রাখবেন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যেন রোগিকে কোন মশায় কামড়াতে না পারে। কারণ ওই মশা দ্বারা ঘরের যে কেও খুব সহজেই আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তবে মশা নিধনের জন্য কয়েল, স্প্রে, ম্যাট ইত্যাদি ব্যবহারের পাশাপাশি মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য দিনে ও রাতে মশারী ব্যবহার করা প্রয়োজন।

যেহেতু এখনো পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরের কোন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়নি, তাই এটা একেবারে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এই এডিস মশা আমাদের দেশে পূর্বেও ছিলো, এখনো আছে এবং এর প্রজননের ও বংশবৃদ্ধির পরিবেশে বিদ্যামান। তাই ডেঙ্গু জ্বর ভবিষ্যতেও আমাদের দেশে থাকবে কিন্তু একমাত্র এর থেকে প্রতিকারের উপায় হচ্ছে সচেতনতা। আমাদের একটু সচেতনতার মাধ্যমেই এর থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

হেলথ টিপস | সুস্বাস্থ্যের জন্য সেরা ২১টি স্বাস্থ্য টিপস যা স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে প্রমাণিত